জেনে নিন আপনার অর্থ উপার্জনের সহজ উপায়

ইরফান রানা
প্রকাশকাল (৩১ অক্টোবর ২০১৬)

f
g+
t

বাংলাদেশে চাকরি মানে সোনার হরিণ! একথা সবারই জানা। তার উপর চাকরি করে ভালোভাবে জীবনযাপন করাও অনেক কষ্টকর। সেজন্য অর্থ উপার্জনের জন্য সেরা মাধ্যমটি খুজে নিতে সবাই ব্যস্ত। একটি ভাল উপার্জনের ধারনা বদলে দিতে পারে একটি পরিবার, একটি সমাজ তথা জাতীয় সমৃদ্ধি। এরকম কছু ধারনা নিচে উল্লেখ করা হল।

জেনে নিন আপনার অর্থ উপার্জনের সহজ উপায়

ছবি ইরফান রানা

সঠিক ক্যারিয়ার গঠনের উপায় । পেশা নির্বাচন

বর্তমান প্রশিক্ষণ হীন শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব

হোম ডেলিভারী: হোম ডেলিভারী ব্যবসা হচ্ছে ক্রেতার কাছ থেকে ফোনে পন্যের অর্ডার নিয়ে ক্রেতার বাসায় পৌছে দেয়া। হোম ডেলিভারী বর্তমান সময়ে খুব জনপ্রিয় একটি ব্যবসা। মূলধন ছাড়া অথবা অল্প মূলধন নিয়ে আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

তুলনামূলকভাবে এই ব্যবসায় ঝুকি অনেক কম। আপনার যদি মূলধন না থাকে তাহলে অন্যের সাথে চুক্তিতে তার অর্ডারী পন্য গুলো ক্রেতার বাসায় পৌছে দিয়ে আপনার হোম ডেলিভারী ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তবে মুনাফা একটু কম হবে।

অথবা আপনার যদি অল্প মূলধন থাকে তাহলে নিজে পন্য তৈরি করে ফেইজবুকের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে হোম ডেলিভারী ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তুলনামূলকভাবে তাতে বেশি লাভবান হবেন। হাতের তৈরি পন্য, বিভিন্ন খাবার, মেয়েদের কাপর, বাচ্ছাদের খেলনা ও কাপড় ইত্যাদি নিয়ে শুরু করতে পারেন।

মিনি শিল্প: আপনি চাইলে অল্প পুজি নিয়ে মিনি শিল্প তৈরি করতে পারেন। মুনাফা ভালো হলে আস্তে আস্তে ব্যবসার আকার বড় করতে পারবেন। মনে রাখবেন অল্প পুজির ব্যবসায় ঝুকি কম থাকে। আপনি বাসা ভাড়া নিয়ে অথবা নিজের বাসাতেও এই শিল্প তৈরি করতে পারেন।

শুরুতে চানাচুর, ডাল ভাজা, বিভিন্ন ধরনের মসলা, সাবান ইত্যাদি তৈরি করতে পারেন। তৈরি করা পন্য আপনার আসে পাশে দোকান গুলোতে বিক্রি করতে পারেন। তবে পন্য তৈরির সময় অবশ্যই পন্যের মানের দিকে লক্ষ্য রাখবেন।

কারন পন্যের মান ভালো হলে চাহিদা বেশি থাকবে। যার ফলে আপনার পন্যের বিক্রি বেড়ে যাবে। অপর দিকে পন্যের গুনগত মান না থাকলে মানুষ পন্য ক্রয় করতে আগ্রহী হবে না। তাই পন্যের মানের দিকে সর্বদা খেয়াল রাখুন।

ভাসমান ব্যবসা: রাস্তায় বসে অথবা বাসায় গিয়ে পন্য বিক্রি করাকে ভাসমান ব্যবসা বলে। এই ব্যবসায় বেশি মূলধনের প্রয়োজন হয় না। তাই অল্প পুজি নিয়ে যে কেউ এই ব্যবসা শুরু করতে পারে। এই ব্যবসায় বেশ লাভবান হওয়া যায়।

রাস্তায় ব্যান অথবা টেবিলে করে ফ্লেক্সিলোড, ফুছকা, চটপটি, জালমুড়ি ইত্যাদির ব্যবসা করতে পারেন। তাছাড়া শহরে বাসায় বাসায় গিয়ে দুধ, হাতের তৈরি পন্য, বাচ্ছাদের খেলনা, টি-শার্ট ইত্যাদি বিক্রি করতে পারেন। মনে রাখবেন কোন কাজই ছোট নয় ছোট থেকেই বড় হতে হয়।

কৃষি ফার্ম: কৃষি ফার্ম তুলনামূলকভাবে একটু ব্যয়বহুল কিন্তু করতে পারলে লাভবান হওয়া যায়। যখন কৃষি পন্য দামে সস্তা হয় তখন কিনে রাখলেন আবার যখন দাম বৃদ্ধি পায় তখন বিক্রি করে দিলেন। তাছাড়া হাস-মুরগির ফার্ম, মাছের খামার, গরু-ছাগলের ফার্ম ইত্যাদি করতে পারেন।

ই কমার্স: ই কমার্স হচ্ছে ইলেকট্রনিকস কমার্স অর্থাৎ ইন্টারনেট নির্ভর কমার্স। এই ব্যবসায় মূলধন তেমন বেশি লাগে না। এই ব্যবসা করতে হলে আপনাকে একটা ওয়েভ সাইট তৈরি করতে হবে। ওয়েভ সাইট ছাড়াও করা যায় ফেইজবুক পেইজের মাধ্যমে।

তবে যে ভাবেই করোন না কেন প্রথমে আপনাকে পন্যে ছবি ওঠিয়ে ওয়েভ সাইট অথবা ফেইজবুক পেইজে সাজিয়ে রাখতে হবে। তারপর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালাতে হবে। বিক্রি হলে পন্য বাসায় পৌছে দিয়ে মূল্য গ্রহন করতে হবে। তবে এই ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে পন্যের মান ভাল হতে হয়।

ইরফান রানা-এর আরও প্রবন্ধ পড়ুন

* চট্টগ্রামের সবকটি জেলায় কয়টি উপজেলা ও পৌরসভা (মানচিত্র সহ)

* পরিচর্যা করুন মূল্যবান কম্পিউটার। কম্পিউটার টিপস এন্ড ট্রিকস

* হাঁস পালন হতে পারে উপার্জনের বড় মাধ্যম। হাঁস পালনের নিয়ম

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আরও প্রবন্ধ পড়ুন



বিজ্ঞাপন



© ২০১৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত LearnArticle.com