বাংলাদেশের সকল বিভাগের, জেলার, পৌরসভার এবং উপজেলার তথ্য

Mis Niki
প্রকাশকাল (২৬ মার্চ ২০১৭)

f
g+
t

বাংলাদেশে মোট কয়টি জেলা, কয়টি উপজেলা, কয়টি থানা এবং কতগুলো পৌরসভা এই সকল তথ্য জানতে এই প্রবন্ধটি পড়ুন। তাছাড়া এখানে বাংলাদেশে সবকটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও গ্রাম সম্পর্কে মোটামুটি তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এই প্রবন্ধটিতে সমস্ত তথ্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে মোট ৮ টি বিভাগ, ৬৪ টি জেলা, ৪৯২ টি উপজেলা, ৬৪১ টি থানা, ১১টি সিটি কর্পোরেশন, ৩২৮ টি পৌরসভা, ৪,৫৬২ টি ইউনিয়ন এবং প্রায় ৮৭,৩৭২ টি গ্রাম রয়েছে।

বাংলাদেশের সকল বিভাগের, জেলার, পৌরসভার এবং উপজেলার তথ্য

ছবি Mis Niki

ঢাকা বিভাগের সবকটি জেলা , উপজেলা এবং পৌরসভা (মানচিত্র সহ)

খুলনা বিভাগের সকল জেলার জনপ্রিয় ও বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান সমূহ

চট্টগ্রাম বিভাগ


চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ টি জেলা এবং ৬০ টি পৌরসভা আছে। এই বিভাগের মধ্যে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটি অবস্থিত। তাছাড়া, চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর অবস্থিত। তাছাড়া বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারও চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। এছাড়াও চট্টগ্রামে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

বান্দরবান জেলা

বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি অন্যতম জেলা। বান্দরবান পার্বত্য জেলায় অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগন বসবাস করে। চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান জেলার দূরত্ব ৭৫কিলোমিটার। ১৮ এপ্রিল ১৯৮১ সালে বান্দরবান একটি প্রশাসনিক জেলা হিসেবে কাজ শুরু করে। বাংলাদেশের অন্যতম জেলা যার মায়ানমারের সাথে সীমান্ত রয়েছে। বান্দরবান জেলায় উপজেলার সংখ্যা ৭ টি যথা- বান্দরবান সদর, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি, রোয়াংছড়ি, লামা, রুমা এবং থানচি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চট্টগ্রামের একটি প্রশাসনিক জেলা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত। আখাউরা বাংলাদেশের বৃহত্তম রেল জংশন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের একটি সীমান্তবর্তী জেলা। বিখ্যাত আশুগঞ্জ স্থলবন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ৯ টি উপজেলা রয়েছে - ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, কসবা, নাসিরনগর, সরাইল উপজেলা, আশুগঞ্জ, আখাউড়া, নবীনগর, বাঞ্ছারামপুর এবং বিজয়নগর।

চাঁদপুর জেলা

চাঁদপুর বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চলে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর প্রশাসনিক জেলা হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। চাঁদপুর জেলার আয়তন ১৬৪৫.৩২ বর্গকিলোমিটার। চাঁদপুর জেলায় ৮ টি উপজেলা হাইমচর, কচুয়া, শাহরাস্তি, চাঁদপুর সদর, মতলব, হাজীগঞ্জ, মতলব এবন ফরিদগঞ্জ। বাংলাদেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট চাদপুরে অবস্থিত। চাঁদপুর জেলা মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত।

চট্টগ্রাম জেলা

চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে সমুদ্র সৈকতজুড়ে অবস্থিত। চট্টগ্রাম জেলার পূর্ব নাম ইসলামাবাদ/ পোর্ট গ্র্যান্ড/ চট্টলা/ চাটগাঁও। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রথম জেলা হিসেবে ১৬৬৬ সালে যাত্রা শুরু করে। ১৮৮৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর চালু হয় যার মাধ্যমে দেশের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯০% সংগঠিত হয়। চট্টগ্রাম জেলার আয়তন ৫২৮২.৯২ বর্গকিলোমিটার। চট্টগ্রামের থানার সংখ্যা ১৪তি রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুন্ড উপজেলা, মীরসরাই, পটিয়া, সন্দ্বীপ, বাঁশখালী, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি এবং রাউজান।

কুমিল্লা জেলা

কুমিল্লা জেলা ১৭৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কুমিল্লার আয়তন ৩১৪৬.৩০ বর্গকিলোমিটার। জেলাটি গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত। বাখরাবাদ, বাঙ্গুরা এবং সালদা গ্যাসক্ষেত্র কুমিল্লাতে অবস্থিত। কুমিল্লা জেলায় দেবিদ্বার, বরুড়া, ব্রাহ্মণপাড়া, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, দাউদকান্দি, হোমনা, লাকসাম, মুরাদনগর, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা সদর, মেঘনা, মনোহরগঞ্জ, সদর দক্ষিণ, তিতাস ও বুড়িচং মোট ১৬ টি উপজেলা রয়েছে।

কক্সবাজার জেলা

বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। এখানে রয়েছে অসংখ্য সমুদ্র সৈকত। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত হিসেবে স্বীকৃত। তাছাড়া কক্সবাজারে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে যেখানে হাজার হাজার দেশি এবং বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করতে আসে। পর্যটকদের থাকার জন্য কক্সবাজারে অসংখ্য হোটেল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজারের হোটেল ব্যবসা বাংলাদেশের একটি সতন্ত্র শিল্প হিসেবে জায়গা দখল করে নিয়েছে। কক্সবাজার জেলায় উপজেলার সংখ্যা ৮টি যথা কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, কুতুবদিয়া, উখিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, রামু ও টেকনাফ। ১৯৮৪ সালে ২৪৯১ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে কক্সবাজার জেলা গঠিত হয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন বা দারুচিনির দ্বীপ অবস্থিত যা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থান।

ফেনী জেলা

ফেনী জেলা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে ৯৯০ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে ফেনী প্রশাসনিক জেলা ঘোষণা করা হয়। ফেনী জেলা ফেনী নদীর নামানুসারে নামকরন করা হয়েছে। ফেনী জেলার পূর্ব নাম শমসেরনগর। ফেনী জেলার উপজেলার সংখ্যা ৬টি ছাগলনাইয়া উপজেলা, ফেনী সদর, সোনাগাজী উপজেলা, ফুলগাজী উপজেলা, পরশুরাম এবং দাগনভূঞা।

খাগড়াছড়ি জেলা

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব দিকে অবস্থিত। খাগড়াছড়ি ভারতের একটি সীমান্তবর্তী জেলা। ১৯৮৪ সালে ২৭৪৯ বর্গকিলোমিটার জায়গা নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা ঘোষণা করা হয়। খাগড়াছড়ি হালদা নদীর তীরে অবস্থিত। খাগড়াছড়ি জেলার বেশির ভাগ অঞ্চল দুর্গম পাহাড় ঘেরা। খাগড়াছড়ি সদর, দিঘীনালা, পানছড়ি, লক্ষীছড়ি, মহালছড়ি, মানিকছড়ি, রামগড় এবং মাটিরাঙ্গা এই আট টি উপজেলা নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা গঠিত।

লক্ষ্মীপুর জেলা

লক্ষ্মীপুর বাংলাদেশের উপকূলবর্তী মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। লক্ষ্মীপুর জেলা ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। লক্ষ্মীপুর জেলার আয়তন ১৪৪০.৩৯ বর্গকিলোমিটার। লক্ষ্মীপুর জেলা রহমতখালী নদীর তীরে অবস্থিত। লক্ষ্মীপুরে লক্ষ্মীপুর সদর, কমলনগর , রায়পুর, রামগতি ও রামগঞ্জ এই ৬টি উপজেলা নিয়ে গঠিত।

নোয়াখালী জেলা

১৮২১ সালে নোয়াখালী জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। নোয়াখালীর আয়তন ৩৬৮৫.৮৭ বর্গকিলোমিটার। নোয়াখালী জেলার পূর্ব নাম সুধারাম বা ভুলুয়া। জেলাটি মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর তীরে অবস্থিত। নোয়াখালী জেলা মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। নোয়াখালী জেলায় ৯টি উপজেলা নোয়াখালী, কোম্পানীগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, হাতিয়া, সুবর্ণচর, কবিরহাট, সেনবাগ, চাটখিল ও সোনাইমুড়ী।

রাঙ্গামাটি জেলা

বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন জেলা। জেলাটি পার্বত্য জেলার অন্তর্গত। রাঙ্গামাটি জেলা ১৮৬০ সালে গঠিত হয় এবং আয়তন ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার প্রায়। রাঙ্গামাটি আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা। রাঙ্গামাটি জেলায় উপজেলার সংখ্যা ৯ টি যথা- রাঙ্গামাটি সদর, কাপ্তাই, কাউখালী, বাঘাইছড়ি, বরকল, লংগদু, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি এবং নানিয়ারচর।

ঢাকা বিভাগ


ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা ১৩ টি এবং পৌরসভা ৬৪ টি। নিচে ঢাকা বিভাগের জেলাসমূহ এবং এই সকল জেলার উপজেলা সম্পর্কে আলোচনা করা হল। ঢাকা বিভাগের জেলার সংখ্যা ছিল ১৭ টি কিন্তু ময়মনসিংহ বিভাগ ঘোষণা করার পর থেকে ঢাকা বিভাগের প্রশাসনিক জেলা ১৩ টি।

ঢাকা জেলা

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। জেলা হিসেবে ঢাকা ১৭৭২ সালে স্বীকৃতি পায়। ঢাকা জেলা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। জাহাঙ্গীর নগর/ ঢাবেক্কা/ ঢুক্কা থেকে ঢাকা নামের উৎপত্তি। সাভার, ধামরাই, কেরাণীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, দোহার এই ৫ টি উপজেলা নিয়ে ঢাকা প্রশাসনিক জেলা অবস্থিত। মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা জেলা ১ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।

ফরিদপুর জেলা

ফরিদপুর ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত একটি জেলা। ফরিদপুরের পূর্ব নাম ফাতেহাবাদ। জেলাটি আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে অবস্থিত। ১৮১৫ সালে ফরিদপুরকে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এর আয়তন ২০৫২ বর্গকিলোমিটার প্রায়। ফরিদপুর জেলায় ফরিদপুর সদর, আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, সদরপুর, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন, মধুখালী, সালথা মোট ৯ টি উপজেলা রয়েছে।

গাজীপুর জেলা

গাজীপুর ঢাকার উত্তরে অবস্থিত। জেলাটির পূর্বনাম জয়দেবপুর। গাজীপুর জেলা তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত। গাজীপুর বাংলাদেশের ১১ তম সিটি কর্পোরেশন। ঢাকার দ্বিতীয় নিকটতম নগরী। ১৭৪১ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ১৯৮৪ সালে গাজীপুর জেলা গঠিত হয়। গাজীপুরের ৫ টি উপজেলা যথা- কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর, কাপাসিয়া, গাজীপুর সদর এবং শ্রীপুর।

গোপালগঞ্জ জেলা

মধুমতির জলধারা বিধৌত গোপালগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশের অন্যতম ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। তাছাড়া গোপালগঞ্জে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনার পৈত্রিক নিবাস। জেলাটি ১৯৮৪ সালে ১৪৬৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গোপালগঞ্জ জেলা গঠন করা হয়। গোপালগঞ্জের মোট উপজেলা ৫ টি যথা- গোপালগঞ্জ সদর, কাশিয়ানী, টুংগীপাড়া, কোটালীপাড়া ও মুকসুদপুর।

কিশোরগঞ্জ জেলা

কিশোরগঞ্জ জেলা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। জেলাটি ১৯৮৪ সালে ঘোষিত হয় এবং এর আয়তন প্রায় ২৬৮৮ বর্গকিলোমিটার। কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ১৩ টি উপজেলা। ইটনা, কটিয়াদী, ভৈরব, তাড়াইল, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ, বাজিতপুর, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও নিকলী।

মাদারীপুর জেলা

মাদারীপুর জেলা ১৯৮৪ সালে ঘোষণা করা হয়। জেলাটি আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে অবস্থিত। মাদারীপুর জেলার আয়তন ১১২৫ বর্গকিলোমিটার। বিখ্যাত ইসলাম ধর্ম সংস্কারক হাজি শরিয়তুল্লাহ মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এই জেলায় ৫ টি উপজেলা মাদারীপুর সদর, শিবচর, কালকিনি এবং রাজৈর।

মানিকগঞ্জ জেলা

মানিকগঞ্জ জেলা যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। জেলাটি ১৯৮৪ সালে ১৩৭৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। মানিকগঞ্জ জেলা ঢাকা জেলার পশ্চিমে অবস্থিত। মানিকগঞ্জ জেলায় উপজেলার সংখ্যা ৭ টি যথা- হরিরামপুর, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ সদর, ঘিওর, শিবালয়, দৌলতপুর ও সিংগাইর।

মুন্সীগঞ্জ জেলা

বিক্রমপুর খ্যাত মুন্সীগঞ্জ জেলা ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে ১০০৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা গঠিত হয়। মুন্সীগঞ্জ জেলার উপজেলার সংখ্যা ৬ টি মুন্সিগঞ্জ সদর, শ্রীনগর, সিরাজদিখান, লৌহজং, গজারিয়া ও টংগীবাড়ি।

নারায়নগঞ্জ জেলা

জেলাটি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত। নারায়নগঞ্জকে প্রাচ্যের ডান্ডি বলা হয়। এই জেলার পূর্ব নাম পানাম সিটি। নারায়নগঞ্জ দেশের ৭ম সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা থেকে এই জেলার দূরত্ব সবচেয়ে কম। ১৯৮৪ সালে ৭৫৯ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে নারায়নগঞ্জ জেলা ঘোষণা করা হয়। নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা, নারায়নগঞ্জ সদর, রূপগঞ্জ উপজেলা, সোনারগাঁ উপজেলা এই চারটি উপজেলা।

নরসিংদী জেলা

নরসিংদী জেলা মেঘনা ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত। বাংলাদেশের বিখ্যাত প্রত্নতত্ত্ব ওয়ারী বটেশ্বর নরসিংদীতে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে ১১৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে নরসিংদী জেলা গঠিত হয়। বেলাবো, মনোহরদী, নরসিংদী, পলাশ, রায়পুরা, শিবপুর এই ৬ টি উপজেলা নিয়ে নরসিংদী জেলা গঠিত।

রাজবাড়ী জেলা

রাজবাড়ী জেলা গোয়ালন্দ নামে পরিচিত। পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে। ১০৯২ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ১৯৮৪ সালে রাজবাড়ী জেলা ঘোষিত হয়। রাজবাড়ীর উপজেলার সংখ্যা ৫ টি রাজবাড়ী সদর, গোয়ালন্দ, পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী।

শরিয়তপুর জেলা

বর্তমান শরিয়তপুর তৎকালীন ইন্দ্রাকপুর পরগনার অন্তরভুক্ত ছিল। পদ্মা সেতুর দক্ষিণ পাড় জাজিরা শরিয়তপুরে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে শরিয়তপুর জেলা গঠন করা হয়। এর আয়তন প্রায় ১১৭৪ বর্গকিলোমিটার। শরিয়তপুরের উপজেলার সংখ্যা শরিয়তপুর সদর, নড়িয়া, জাজিরা, গোসাইরহাট, ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা মোট ৬ টি।

টাঙ্গাইল জেলা

যমুনা নদীর পূর্ব পাড় টাঙ্গাইল জেলার অন্তর্গত। টাঙ্গাইল জেলা ১৯৬৯ সালে গঠিত হয়। এই জেলার আয়তন ৩৪১৪ বর্গকিলোমিটার। মধুপুর বনাঞ্চল টাঙ্গাইলে অবস্থিত। টাঙ্গাইলের বাসাইল, ভুয়াপুর, দেলদুয়ার, ঘাটাইল, গোপালপুর, মধুপুর, মির্জাপুর, নাগরপুর, সখিপুর, টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী এবং ধনবাড়ী মোট ১২ টি উপজেলা রয়েছে।

বরিশাল বিভাগ


বরিশাল বিভাগ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জেলাই সমুদ্রের তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। বরিশাল বিভাগের জেলা সমূহ ফসল উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। অনেকেই জানতে চায় বরিশাল বিভাগে কয়টি জেলা রয়েছে। বরিশালের জেলার সংখ্যা ৬টি। বরিশাল বিভাগে মোট ২৬ টি পৌরসভা রয়েছে। নিচে বরিশাল বিভাগের জেলাসমুহর তথ্য দেয়া হল।

বরগুনা জেলা

বরগুনা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সমুদ্রের তীরবর্তী একটি জেলা। জেলাটি বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত। বরগুনা জেলাটি ১৯৮৪ সালে সমুদ্রের উপকূলবর্তী ১৮৩১ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত। জেলাটি বিশখালি ও হরিনঘাটা নদীর তীরে অবস্থিত। বরগুনা জেলায় আমতলী, বরগুনা সদর, বেতাগী উপজেলা, বামনা, পাথরঘাটা ও তালতলি এই ৬ টি উপজেলা রয়েছে।

বরিশাল জেলা

বাংলার ভেনিস বা বাংলাদেশের শস্যভাণ্ডার খ্যাত বরিশাল জেলা কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত। বরিশাল জেলা ১৭৯৭ সালে ২৭৮৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত। বরশালের পূর্ব নাম চন্দ্রদ্বীপ/বাকলা। বরিশাল জেলায় থানার সংখ্যা ১০ টি বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, উজিরপুর , বানারীপাড়া, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, মেহেন্দিগঞ্জ, মুলাদী ও হিজলা।

ভোলা জেলা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ ভোলা জেলা চারদিকে জলরাশি বেষ্টিত। ভোলার আরেক নাম শাহবাজপুর। ভলা জেলা সাগরদ্বীপ হিসেবেও পরিচিত। ভলা জেলা ১৯৮৪ সালে ৩৪০৩ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে গঠিত। জেলাটি বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত। ভলা জেলায় মোট ৬ টি উপজেলা ভোলা সদর, বোরহান উদ্দিন, দৌলতখান, মনপুরা, তজুমদ্দিন ও লালমোহন।

ঝালকাঠী জেলা

ঝালকাঠী বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক জেলা। ঝালকাঠী জেলা ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জেলাটির আয়তন ৭০৬.৭৬ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের অন্যতম ব্যক্তি শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ঝালকাঠী জেলার সাটুরিয়ায় জন্মগ্রহন করেন। ঝালকাঠী জেলায় ঝালকাঠি সদর, কাঠালিয়া, নলছিটি এই তিনটি উপজেলা রয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা

সাগরকন্যা খ্যাত পটুয়াখালী জেলা বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত। বিখ্যাত কুয়াকাটা সুমদ্র সৈকত পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে ৩২২১ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে পটুয়াখালী জেলা গঠন করা হয়। পটুয়াখালী জেলায় বাউফল, পটুয়াখালী সদর, দুমকি, দশমিনা, কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী মোট ৮ টি উপজেলা রয়েছে।

পিরোজপুর জেলা

পিরোজপুর জেলার আরেক নাম সন্ধ্যা। জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। পিরোজপুরের আয়তন ১২৭৭.৮০ বর্গকিলোমিটার। পিরোজপুর বলেশ্বর নদীর তীরে অবস্থিত। পিরোজপুর জেলায় পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর, কাউখালী, জিয়ানগর, ভান্ডারিয়া, মঠবাড়ীয়া, নেছারাবাদ এই ৭ টি উপজেলা আছে।

রংপুর বিভাগ


রংপুর বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগ। রংপুরের উত্তরে ভারতের মেঘালয় এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত। রংপুর বিভাগে ৮ টি জেলা এবং ২৯ টি পৌরসভা আছে। রংপুর বিভাগের অধিকাংশ জেলা যমুনা এবং তিস্তার নদীর তীরবর্তী।

দিনাজপুর জেলা

দিনাজপুর জেলা বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অন্তর্গত একটি সীমান্ত জেলা। দিনাজপুর জেলার আরেক নাম গণ্ডুইয়াল্যান্ড। ১৭৮৬ সালে দিনাজপুর জেলা প্রতিষ্ঠা হয়। এর আয়তন প্রায় ৩৪৪৪ বর্গকিলোমিটার। দিনাজপুর জেলায় ১৩ টি উপজেলা নবাবগঞ্জ, বীরগঞ্জ উপজেলা, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর, পার্বতীপুর উপজেলা, বোচাগঞ্জ উপজেলা, কাহারোল উপজেলা, ফুলবাড়ী উপজেলা, দিনাজপুর সদর, হাকিমপুর উপজেলা, খানসামা, বিরল উপজেলা এবং চিরিরবন্দর উপজেলা। জেলাটি পুনর্ভবা নদীর তীরে অবস্থিত।

গাইবান্ধা জেলা

গাইবান্ধা যমুনার তীর ঘেঁষা রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক জেলা। গাইবান্ধা জেলার পূর্ব নাম ভবানিগঞ্জ। জেলাটি আত্রাই নদীর তীরে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধাকে জেলা ঘোষণা করা হয়। এর আয়তন প্রায় ২১১৪ বর্গকিলোমিটার। গাইবান্ধা জেলার উপজেলাসমুহ সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী, সাঘাটা উপজেলা, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি মোট ৭ টি।

কুড়িগ্রাম জেলা

কুড়িগ্রাম জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি অন্যতম জেলা। কুড়িগ্রাম জেলা ধরলা নদীর তীরে অবস্থিত। কুড়িগ্রামে ১২ টি ছিটমহল রয়েছে। ১৯৮৪ সালে ২২৪৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে কুড়িগ্রাম প্রশাসনিক জেলা ঘোষণা করা হয়। কুড়িগ্রামের ৯ টি উপজেলা কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ী, রাজারহাট, উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজিবপুর।

লালমনিরহাট জেলা

লালমনিরহাট জেলা তিস্তা নদীর তীরবর্তী জেলা। ১৯৮৪ সালে লালমনিরহাট জেলা ঘোষণা করা হয়। এই জেলার আয়তন ১৪৪৭ বর্গকিলোমিটার। লালমনিরহাট জেলায় ৫টি উপজেলা যথা- লালমনিরহাট সদর, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম এবং আদিতমারী উপজেলা।

নীলফামারী জেলা

নীলফামারী বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের পঞ্চগরের সীমানা সংলগ্ন তিস্তার তীরবর্তী এবং ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা। নীলফামারীর সৈয়দপুর বাংলাদেশের অন্যতম একটি উপজেলা। সৈয়দপুরে বিমানবন্দর এবং রেলওয়ে কারখানা রয়েছে। নীলফামারী জেলার আয়তন ১৫৪৬ বর্গকিলোমিটার এবং জেলাটি ১৯৮৪ সালে ঘোষণা করা হয়। নীলফামারীর ৬ টি উপজেলার নাম হল সৈয়দপুর উপজেলা, ডোমার উপজেলা, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও নীলফামারী সদর।

পঞ্চগড় জেলা

হিমালয় কন্যা খ্যাত পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা। পঞ্চগড় জেলায় বাংলাদেশের সর্বশেষ উপজেলা তেতুলিয়া এবং স্থলবন্দর বাংলাবান্দা অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে ১৪০৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে পঞ্চগড় জেলা ঘোষণা করা হয়েছিল। পঞ্চগড়ের উপজেলা ৫ টি হল পঞ্চগড়, দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী ও তেতুলিয়া (বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা)।

রংপুর জেলা

রংপুর জেলা তিস্তার অববাহিকায় অবস্থিত রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক জেলা। ১৭৬৯ সালে রংপুর জেলা গঠিত হয়। এর আয়তন প্রায় ১৪০০ বর্গকিলোমিটার। এই জেলার ৮ টি উপজেলা রংপুর সদর, গংগাচড়া, তারাগঞ্জ উপজেলা, বদরগঞ্জ উপজেলা, মিঠাপুকুর উপজেলা, পীরগঞ্জ উপজেলা, কাউনিয়া উপজেলা এবং পীরগাছা উপজেলা।

ঠাকুরগাঁও জেলা

দেশের ১৬৪ তম চা বাগান ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত। ঠাকুরগাঁও জেলা রংপুর বিভাগের সর্ব পশ্চিমের জেলা। জেলাটি টাঙ্গন নদীর তীরে অবস্থিত। ১৭৮১ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ১৯৮৪ সালে সরকার ঠাকুরগাঁও-কে জেলার মর্যাদা দান করে। এই জেলার ৫ টি উপজেলা হল ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ উপজেলা, রাণীশংকৈল উপজেলা, হরিপুর উপজেলা এবং বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা।

সিলেট বিভাগ


সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। সিলেটের তিন দিক বেষ্টিত ভারতের বিভিন্ন রাজ্য। সিলেট বিভাগে জেলার সংখ্যা ৪ টি এবং পৌরসভা ১৯টি। সিলেট বিভাগের তাপমাত্রা কম থাকে যার কারনে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলায় চা উৎপাদন ভাল হয়।

হবিগঞ্জ জেলা

হবিগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সিলেট বিভাগের একটি জেলা। হবিগঞ্জ জেলা খোয়াই নদীর তীরে অবস্থিত। জেলাটি ১৯৮৪ সালে গঠিত হয়। হবিগঞ্জ জেলার আয়তন ২৬৩৬ বর্গকিলোমিটার। হবিগঞ্জ জেলা ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী। হবিগঞ্জ জেলার উপজেলার সংখ্যা ৯ টি যথা- নবীগঞ্জ, বাহুবল, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, লাখাই,শায়েস্তগঞ্জ, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ সদর এবং মাধবপুর উপজেলা।

মৌলভীবাজার জেলা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান এবং চা উৎপাদন হয় মৌলভীবাজার জেলাতে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হাওর হাকালুকি মৌলভীবাজারে অবস্থিত। জেলাটি মনু নদীর তীরে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে ২৭৯৯ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে মৌলভীবাজারকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মৌলভীবাজার জেলায় উপজেলা ৭ টি যথা- বড়লেখা, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, শ্রীমঙ্গল ও জুড়ী।

সুনামগঞ্জ জেলা

সুনামগঞ্জ সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত। সুনামগঞ্জ জেলা ১৯৮৪ সালে ঘোষণা করা হয়। জেলাটির আয়তন ৩৭৪৭ বর্গকিলোমিটার। সুনামগঞ্জ জেলায় সুনামগঞ্জ সদর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর, ছাতক, জগন্নাথপুর, দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর, ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, শাল্লা এবং দিরাই এই ১১ টি উপজেলা রয়েছে।

সিলেট জেলা

৩৬০ আউলিয়ার দেশ খ্যাত সিলেট বাংলাদেশের উত্ত পূর্বের সর্বশেষ জেলা। সিলেট জেলা সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত। জেলাটি ১৭৮২ সালে ঘোষণা করা হয়। সিলেটের আয়তন ৩৪৫২ বর্গকিলোমিটার। সিলেট জেলার উপজেলা সমূহ হচ্ছে বালাগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, বিশ্বনাথ, কোম্পানীগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, সিলেট সদর, জকিগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমা এবং ওসমানী নগর।

রাজশাহী বিভাগ


রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। রাজশাহী বিভাগের পশ্চিম দিকে ভারতের পশিমবঙ্গ। রাজশাহী বিভাগের জেলাসমুহ পদ্মা ও যমুনার অববাহিকায় অবস্থিত। রাজশাহীর ৮ টি জেলা এবং ৬২ টি পৌরসভা রয়েছে।

বগুড়া জেলা

প্রাচীন মহাস্থানগড় বা পুণ্ড্রনগর বর্তমানে বগুড়া জেলায় অবস্থিত। বগুড়া জেলা করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। বগুড়াকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বলা হয়। বগুড়া জেলা ১৮২১ সালে ২৮৯৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। বগুড়া জেলার উপজেলার সংখ্যা ১২ টি কাহালু উপজেলা, বগুড়া সদর, সারিয়াকান্দি, শাজাহানপুর, দুপচাচিঁয়া উপজেলা, আদমদিঘি উপজেলা, নন্দিগ্রাম, সোনাতলা উপজেলা, ধুনট উপজেলা, গাবতলী, শেরপুর উপজেলা ও শিবগঞ্জ।

চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা

বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের জেলা চাঁপাই নবাবগঞ্জ। জেলাটি মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। চাঁপাই নবাবগঞ্জের উপজেলা ৫ টি হল- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট এবং শিবগঞ্জ।

জয়পুরহাট জেলা

জয়পুরহাট জেলা ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। জয়পুরহাটের আয়তন প্রায় ১০১২ বর্গকিলোমিটার। পাঁচটি উপজেলা আক্কেলপুর উপজেলা, কালাই উপজেলা, ক্ষেতলাল উপজেলা, পাঁচবিবি উপজেলা, জয়পুরহাট সদর নিয়ে জয়পুরহাট জেলা গঠিত।

পাবনা জেলা

পাবনা জেলা রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক জেলা। জেলাটি ইছামতি নদীর তীরে অবস্থিত। বাংলাদেশের একমাত্র মানসিক হাসপাতাল পাবনাতে অবস্থিত। পাবনা জেলা ১৮৩২ সালে ২৩৭৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। পাবনার উপজেলা ৯ টি যথা- সুজানগর, ঈশ্বরদী, ভাঙ্গুড়া, পাবনা সদর, বেড়া, আটঘরিয়া, চাটমোহর, সাঁথিয়া এবং ফরিদপুর।

নওগাঁ জেলা

নওগাঁ জেলা আত্রাই নদীর তীরে অবস্থিত। নওগাঁ জেলা ১৯৮৪ সালে ঘোষণা করা হয়। এই জেলার আয়তন ৩৪৩৫ বর্গকিলোমিটার। নওগাঁ জেলা ১০ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত যথা- মহাদেবপুর উপজেলা, বদলগাছী উপজেলা, পত্নিতলা উপজেলা, ধামইরহাট উপজেলা, নিয়ামতপুর উপজেলা, মান্দা উপজেলা, আত্রাই উপজেলা, রাণীনগর উপজেলা, নওগাঁ সদর, পোরশা উপজেলা এবং সাপাহার।

নাটোর জেলা

নাটোর জেলায় বাংলাদেশের উষ্ণতম জায়গা লালপুর। ১৯৮৪ সালে প্রায় ১৯০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে নাটোর জেলা ঘোষণা করা হয়। জেলাটি আত্রাই নদীর তীরে অবস্থিত। নাটোরের উপজেলা ৬ টি নাটোর সদর, সিংড়া, বড়াইগ্রাম, বাগাতিপাড়া, লালপুর এবং গুরুদাসপুর।

রাজশাহী জেলা

রাজশাহী জেলা ১৭৭২ সালে প্রতিষ্ঠা হয়। রাজশাহীর আয়তন ২৪২৫ বর্গকিলোমিটার। রাজশাহী বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা। রাজশাহী পদ্মার অববাহিকায় অবস্থিত। রাজশাহী জেলায় ৯ টি উপজেলা যথা- পবা উপজেলা, দুর্গাপুর উপজেলা, মোহনপুর উপজেলা, চারঘাট উপজেলা, পুঠিয়া উপজেলা, বাঘা উপজেলা, গোদাগাড়ী উপজেলা, তানোর উপজেলা এবং বাগমারা উপজেলা।

সিরাজগঞ্জ জেলা

বাংলাদেশের বহুল পরিচিত যমুনা বা বঙ্গবন্ধু সেতু সিরাজগঞ্জ এবং টাঙ্গাইল জেলা দুটিকে সংযোগ করেছে। সিরাজগঞ্জের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা নদী। ১৯৮৪ সালে ২৪০২ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা গঠন করা হয়। এই জেলায় বেলকুচি, চৌহালি, কামারখন্দ, কাজীপুর, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ, তাড়াশ, উল্লাপাড়া মোট ৯ টি উপজেলা রয়েছে।

ময়মনসিংহ বিভাগ


ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর এবং মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ৪ টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ নতুন বিভাগ ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫ টি পৌরসভা রয়েছে। নিচে ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা সমূহ নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হল।

ময়মনসিংহ জেলা

ময়মনসিংহ জেলা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। ময়মনসিংহ জেলা ১৭৮৭ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ময়মনসিংহ জেলার আয়তন ৪৩৯৫ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের পাঁট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ। মোট ফুলবাড়ীয়া, ত্রিশাল, ভালুকা, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ সদর, ধোবাউড়া, ফুলপুর, হালুয়াঘাট, গৌরীপুর, গফরগাঁও, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল, তারাকান্দা তেরোটি উপজেলা নিয়ে ময়মনসিংহ গঠিত।

শেরপুর জেলা

শেরপুর কংশ নদীর তীরে অবস্থিত। শেরপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তরে ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্গত। শেরপুর একটি সীমান্ত বর্তী জেলা। শেরপুর জেলার আয়তন ১৩৬৭ বর্গকিলোমিটার। জেলাটি ১৯৮৪সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শেরপুর জেলার উপজেলা ৫ টি যথা- শেরপুর সদর, নালিতাবাড়ী উপজেলা, শ্রীবরদী উপজেলা, নকলা উপজেলা এবং ঝিনাইগাতী উপজেলা।

জামালপুর জেলা

জামালপুরের পূর্ব নাম সিংহজানি। জেলাটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে অবস্থিত। জামালপুর জেলার পশ্চিম দিক দিয়ে যমুনা নদী অবস্থিত। ১৯৭৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর জামালপুর গঠন করা হয়। এই জেলাটির আয়তন ২১১৫ বর্গকিলোমিটার। উপজেলার সংখ্যা সাতটি যথা- জামালপুর সদর, মেলান্দহ, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ী, মাদারগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ।

নেত্রকোণা জেলা

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড় গারো পাহার নেত্রকোণা জেলায় অবস্থিত। ২৭৯৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ১৯৮৪ সালে নেত্রকোণা জেলা ঘোষণা করা হয়। নেত্রকোণা জেলার উত্তরে ভারতের মেঘালয় প্রদেশ অবস্থিত। বিখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদ নেত্রকোণায় জন্মগ্রহন করেছেন। নেত্রকোণা জেলার উপজেলার সংখ্যা ৯ টি যথা- বারহাট্টা, দুর্গাপুর, কেন্দুয়া, আটপাড়া, মদন, খালিয়াজুরী, কলমাকান্দা, মোহনগঞ্জ ও নেত্রকোণা সদর।

খুলনা বিভাগ


খুলনা বিভাগ দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। খুলনা বিভাগের দক্ষিণ ভাগ জুড়ে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন এবং পশ্চিমে ইন্ডিয়ার পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত। খুলনা বিভাগে মোট ১০ টি জেলা এবং ৩৬ টি পৌরসভা রয়েছে। নিচে খুলনা বিভাগের জেলা সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা

খান জাহান আলীর স্মৃতি বিজড়িত বাগেরহাট জেলা পূর্বে খলিফাতাবাদ নামে পরিচিত ছিল। বাগেরহাট জেলার দক্ষিনাংশ জুড়ে রয়েছে সুন্দরবন। জেলাটি মধুমতী নদীর তীরে অবস্থিত। জেলাটি ১৯৮৪ সালে গঠিত হয়। দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা বাগেরহাটে অবস্থিত। এই জেলায় মোট ৯ টি উপজেলা ফকিরহাট, বাগেরহাট সদর, মোল্লাহাট, শরণখোলা, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, মোংলা ও চিতলমারী।

চুয়াডাঙ্গা জেলা

১৯৮৪ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের সবচেয়ে বড় চিনিকল কেরু এন্ড কোং চুয়াডাঙ্গায় অবস্থিত। এই জেলার আয়তন প্রায় ১১৭৪ বর্গকিলোমিটার। চুয়াডাঙ্গা জেলার উপজেলা চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর মোট চারটি।

যশোর জেলা

মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত কপোতাক্ষ নদের তীরে অবস্থিত যশোর জেলা। এর পূর্ব নাম খলিফাতাবাদ। যশোর বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ২৬০৬ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে ১৭৮১ সালে যশোর প্রশাসনিক জেলা ঘোষণা করা হয়। এই জেলার মোট উপজেলা হচ্ছে মণিরামপুর, অভয়নগর, বাঘারপাড়া, চৌগাছা, ঝিকরগাছা, কেশবপুর, যশোর সদর ও শার্শা মোট ৮ টি।

ঝিনাইদহ জেলা

ঝিনাইদাহ জেলা ১৯৮৪ সালে ঘোষণা করা হয়। এই জেলার আয়তন ২৬০৬ বর্গকিলোমিটার। ঝিনাইদাহ জেলাটি নবগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া এবং ঝিনাইদহ উভয় জেলায় পরেছে। ঝিনাইদহের উপজেলার সংখ্যা ৬ টি। উপজেলাগুলোর নাম হল- ঝিনাইদহ সদর, শৈলকুপা, হরিণাকুন্ডু, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর।

খুলনা জেলা

জাহানাবাদ খ্যাত খুলনা জেলা ১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের কুয়েত সিটি বলা চিংড়ি চাষের জন্য। এই জেলার দক্ষিণ ভাগে সুন্দরবন অবস্থিত। খুলনার আয়তন প্রায় ৪৩৯৪ বর্গকিলোমিটার। খুলনা জেলায় মোট পাইকগাছা, ফুলতলা উপজেলা, দিঘলিয়া উপজেলা, রূপসা উপজেলা, তেরখাদা উপজেলা, ডুমুরিয়া উপজেলা, বটিয়াঘাটা, দাকোপ উপজেলা ও কয়রা উপজেলা ৯ টি উপজেলা।

কুষ্টিয়া জেলা

নদীয়া খ্যাত বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা লালন শাহের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। জেলাটি গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত। ১৯৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আয়তন প্রায় ১৬০৮ বর্গকিলোমিটার। কুষ্টিয়ায় মোট কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা, মিরপুর, দৌলতপুর, ভেড়ামারা এই ছয়টি উপজেলা রয়েছে।

মাগুরা জেলা

বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা মাগুরা। জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মাগুরা জেলা কুমার ও গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত। মাগুরা জেলার আয়তন প্রায় ১০৩৯ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের স্বনামধন্য ক্রিকেতার সাকিব আল হাসানের বাড়ি মাগুরা জেলায়। এই জেলার মোট শালিখা, শ্রীপুর, মাগুরা সদর ও মহম্মদপুর এই ৪ টি উপজেলা রয়েছে।

মেহেরপুর জেলা

মেহেরপুর বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা। মেহেরপুর থেকেই বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়েছিল। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর বলা হয়। এই জেলার আয়তন প্রায় ৭৫১ বর্গকিলোমিটার। জেলাটি গঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। মেহেরপুরে মোট ৩ টি উপজেলা মুজিবনগর, মেহেরপুর সদর ও গাংনী।

নড়াইল জেলা

নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত মাসরাফি বিন মুর্তজার গ্রামের বাড়ি নড়াইলে। নড়াইল জেলা ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আয়তন ৯৬৭ বর্গকিলোমিটার। নড়াইলের উপজেলার সংখ্যা মোট ৩ টি নড়াইল সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া।

সাতক্ষীরা জেলা

সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ পশ্চিমের জেলা। এর দক্ষিণ বাগে রয়েছে সুন্দরবন এবং পশিমে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা। জেলাটি পাঙ্গাসিয়া নদীর তীরে অবস্থিত। সাতক্ষীরা জেলা ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আয়তন প্রায় ৩৮১৭ বর্গকিলোমিটার। সাতক্ষীরা জেলায় মোট ৭ টি উপজেলা আশাশুনি, দেবহাটা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, শ্যামনগর, তালা এবং কালিগঞ্জ।

Mis Niki-এর আরও প্রবন্ধ পড়ুন

* ইন্টারনেট থেকে অনলাইনে টাকা আয়ের কয়েকটি সহজ উপায়

* এবার ঘরে বসে অল্প খরচে এবং খুব সহজেই মিনি এসি তৈরি করুন

* ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলার , উপজেলার ও পৌরসভা (মানচিত্র সহ)

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আরও প্রবন্ধ পড়ুন



বিজ্ঞাপন



© ২০১৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত LearnArticle.com