চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান

রিমি আক্তার
প্রকাশকাল (০৬ এপ্রিল ২০১৭)

f
g+
t

চট্টগ্রাম বিভাগ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। চট্টগ্রাম বিভাগে অগণিত দর্শনীয় স্থান রয়েছে। চট্টগ্রামে রয়েছে বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার। তাছাড়া বন, পাহাড় আর ঝর্না ঘেরা বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত। নিচে চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলার জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত সকল দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান

ছবি রিমি আক্তার

বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা

বান্দরবান জেলা

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম অংশীদার বান্দরবান জেলা। বান্দরবানের নৈসর্গিক সৌন্দর্য যেকোনো মানুষের মন ভরিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। জেলাটি দেশের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে চত্তগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি জেলা। এই জেলার বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে

১. বুদ্ধ ধাতু জাদি - বান্দরবান থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বুদ্ধ মন্দির।
২. মিলনছড়ি শৈল প্রপাত - থানচি যাওয়ার পথে বান্দরবান থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে।
৩. মেঘলা এবং নীলাচল - কেরানিহাট যাওয়ার পথে মেঘলা এবং নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র দুটি পাওয়া যায়।
৪. রাজবিহার এবং উজানিপাড়া বিহার - রাজবিহার বান্দরবানের একটি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান।
৫. নীলগিরি এবং থানচি - বাংলাদেশের উঁচুতম পাহাড় নীলগিরিতে একটি দর্শনীয় স্থান রয়েছে।
৬. বগালেক, প্রান্তিক লেক, জীবননগর এবং কিয়াচলং লেক।
৭. চিম্বুক পাহাড় এবং উপজাতীয় গ্রাম - বান্দরবান শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের উচু পাহাড় চিম্বুকের পাদদেশে বাস করা উপজাতীয় গ্রামগুলো ঘুরে আসা যায়।

ঢাকা থেকে বান্দরবানের দূরত্ব ৬ থেকে ১০ ঘণ্টার রাস্তা। ঢাকা থেকে ট্রেনযোগে চট্টগ্রাম গিয়ে সেখানে থেকে বাসে করেও বান্দরবান যাওয়া যায়। এছাড়াও রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার থেকেও বান্দরবান যাওয়া যায়।

বান্দরবানের পর্যটন খাতকে ঘিরে অসংখ্য আবাসিক হোটেল এবং রেস্টহাউস ঘরে উঠেছে। দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট ভাড়া দিয়ে এসব হোটেলে থাকতে পারেন। বান্দরবানের হোটেলগুলো হল- হোটেল হলিডে ইন, হোটেল প্লাজা, হোটেল গ্রীনল্যান্ড, হোটেল হিল কুইন, হিল সাইট রিসোর্ট (মিলনছড়ি), হোটেল পূরবী, হোটেল ফোর স্টার, পর্যটন মোটেল, হোটেল হিলবার্ড, হোটেল গ্রীণ হিল ইত্যাদি।

চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান

ছবি রিমি আক্তার

রাঙ্গামাটি জেলা

রাঙ্গামাটি পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম জেলা। রাঙ্গামাটিতে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান আছে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থী রাঙ্গামাটির বিখ্যাত পর্যটন স্থান সমূহ দেখতে আসে। নিচে রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানসমূহের নাম সম্পর্কে আলোচনা করা হল। তাছাড়া কীভাবে রাঙ্গামাটিতে ভ্রমণ করার জন্য যেতে পারেন সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হল।

১. কাপ্তাই হ্রদ - দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানে অবস্থিত।
২. ঝুলন্ত সেতু
৩. রাজবন বিহার
৪. শুভলং ঝর্ণা
৫. সাজেক
৬. উপজাতীয় যাদুঘর
৭. কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান
৮. পেদা টিং টিং
৯. ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি
১০. বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সেনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য ইত্যাদি।

রাঙ্গামাটিতে পর্যটকদের থাকার জন্য জেলা পরিষদ ডাক বাংলো এবং সরকারি রেস্ট হাউস ছাড়াও অনেক বেসরকারি হোটেল রয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য হোটেলগুলো হল- উসাই রেস্ট হাউজ, হোটেল সুফিয়া, হোটেল গ্রীণ ক্যাসেল, মোটেল জজ, হোটেল আল-মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল শাপলা, হোটেল ড্রিমল্যান্ড ইত্যাদি।

রাঙ্গামাটি ভ্রমণ করার জন্য ঢাকা থেকে রেল, বাস কিংবা বিমান যোগে চট্টগ্রাম এবং সেখান থেকে বাসে করে রাঙ্গামাটি ঘরে আসতে পারেন। মনে রাখতে হবে রাঙ্গামাটি জেলায় কোন রিকশা চলে না। কারন পাহাড়ি এলাকা। এখানে নিজেদের ঘারি নিয়ে যাওয়াও মুশকিল। যেকোনো সময় পাহাড়ি রাস্তায় আটকে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে চাঁদের গাড়িই ভরসা।

খাগড়াছড়ি জেলা

খাগড়াছড়ি জেলাটিও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত। খাগড়াছড়ি সহ পার্বত্য এলাকার সবকয়টি জেলা চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। এখানে খাগড়াছড়ি জেলার দর্শনীয় স্থান, কীভাবে যাবেন এবং কোথায় থাকবেন সেই সম্পর্কে আলকপাত করা হল।

১. আলুটিলা গুহা
২. আলুটিলা ঝর্ণা
৩. জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক
৪. মং রাজবাড়ি
৫. দেবতা পুকুর
৬. ভগবান টিলা
৭. পুরাতন চা বাগান
৮. গুইমারা
৯. সিন্ধুকছড়ি পুকুর
১০. লক্ষীছড়ি জলপ্রপাত
১১. রামগড় পাহাড় ও টিলা
১২. রিছাং ঝর্ণা/তেরাং তৈকালাই ঝর্ণা
১৩. মানিকছড়ির রাজবাড়ী ইত্যাদি।

খাগড়াছড়িতে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বেশ কিছু হোটেল ও মোটেল রয়েছে। এসব হোটেলে রাতে থেকে যেতে পারবেন ভাল ভাবেই। খাগড়াছড়ি জেলার উল্লেখযোগ্য কিছু হোটেল হল- হোটেল শৈল সুবর্ণা (আবাসিক), ক্যাফে চমক হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, হোটেল গাইরিং, হোটেল ফোর স্টার (আবাসিক) ইত্যাদি।

খাগড়াছড়ি যাওয়ার জন্য রাঙ্গামাটির মত একই উপায় অবলম্বন করতে পারেন। তবে খাগড়াছড়িতে নিজের গাড়ি নিয়ে অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান

ছবি রিমি আক্তার

কক্সবাজার জেলা

বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার জেলায় রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত। তাছাড়া কক্সবাজারের পাহারি ঝর্ণা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অকৃত্রিম উৎস। নিচে কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় সব দর্শনীয় স্থান, বিখ্যাত সব হোটেল এবং কিভেবে যাবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

১. মাহাসিংদোগ্রী বৌদ্ধ মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমি
২. মৎস্য অবতরণ ও পাইকারী মৎস্য বাজার
৩. পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার
৪. বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত
৫. রাখাইন পাড়া
৬. চৌফলদন্ডী-খুরুশকুল সংযোগ সেতু
৭. কাকারা শাহওমর মাজার
৮. লবণ রপন্তানি জোন
৯. বার্মিজ মার্কেট
১০. মাতামুহুরী নদী
১১. ইনানী সি বীচ
১২. কানা রাজার সুড়ঙ্গ
১৩. কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
১৪. হিমছড়ি
১৫. ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক
১৬. প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন
১৭. ছেঁড়াদ্বীপ, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ
১৮. সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী
১৯. কুতুবদিয়া বাতিঘর ইত্যাদি।

তাছাড়া পর্যটন খাতের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজার জেলায় অসংখ্য হোটেল মোটেল এবং রেস্ট হাউস গড়ে উঠেছে। কক্সবাজারকে ঘিরে বাংলাদেশে হোটেল খাত একটি শিল্পে রূপান্তরিত হয়েছে। কক্সবাজারের বিখ্যাত হোটেল গুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. হোটেল কক্স টু ডে
২. সীগাল হোটেল
৩. হোটেল সী- প্যালেস
৪. হোটেল সী- ক্রাউন
৫. নিলিমা রিসোর্ট
৬. হোটেল লং বীচ
৭. হোটেল মিডিয়া ইন্টার ন্যাশনাল
৮. হোটেল অভিসার
৯. হোটেল বে বীচ ইত্যাদি।

চট্টগ্রাম জেলা

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও এখানে রয়েছে অসংখ্য পর্যটন স্পট। সমুদ্রের তীরবর্তী এই জেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কোন ঘাটতি নেই। চট্টগ্রাম জেলার বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানসমূহের মধ্যে আছে

আগুনিয়া চা-বাগান - উত্তর রাঙ্গুনিয়া, বাইতুল ইজ্জত এলাকা, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, সন্দ্বীপ সমুদ্র সৈকত, আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, কমনওয়েলথ ওয়ার সেমেট্রি, কালুরঘাট, খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত - বাঁশখালী

খিরাম সংরক্ষিত বনাঞ্চল,ফটিকছড়ি, চন্দ্রনাথ মন্দির- সীতাকুন্ড, চেরাগী পাহাড়, চাঁদপুর-বেলগাঁও চা বাগান, পুকুরিয়া, বাঁশখালী, জাতি-তাত্ত্বিক জাদুঘর, জে এম সেন হল, নজরুল স্কয়ার, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, পারকি সমুদ্র সৈকত- আনোয়ারা

ফয়েজ লেক, বাটালি পাহাড়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি, বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো-পার্ক- সীতাকুণ্ড, বাঁশখালী ইকোপার্ক,, বৌদ্ধ তীর্থ স্থান চক্রশালা পটিয়া, ভাটিয়ারি গল্ফ ক্লাব, ভূজপুর সংরক্ষিত বনাঞ্চল

মহামুনি বৌদ্ধ বিহার- রাউজান, মহামায়া সেচ প্রকল্প- মীরসরাই, মুহুরিগঞ্জ সেচ প্রকল্প- মীরসরাই, রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান, শেখ রাসেল অ্যাভিয়েরি পার্ক- রাঙ্গুনিয়া, লালদিঘি, লোহাগাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যলোহাগাড়া, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইত্যাদি।

চট্টগ্রামে পর্যটকদের থাকার জন্য অনেক জায়গা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য হোটেল সমূহ হল- হোটেল গোল্ডেন ইন, হোটেল সিলেট সুপার(আঃ), এশিয়ান এস. আর. হোটেল, হোটেল পার্ক, রয়েল পার্ক, হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল ফয়জিয়া, চিটাগাং বেকারী, মৌচাক হোটেল ইত্যাদি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহের মধ্যে রয়েছে-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহীদ স্মৃতিসৌধ, জামেয়া ইউনূছিয়া (বড় মাদ্রাসা), সরাইল জামে মসজিদ , কালভৈরব মূর্তি (১৯০০ শতাব্দী, উচ্চতা ২৮ ফুট), ভৈরব রেলওয়ে সেতু, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু (সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু), কাইতলা জমিদার বাড়ী (নবীনগর)

আড়িফাইল মসজিদ (সরাইল), ধরন্তি (সরাইল), কেল্লা শহীদের মাজার (১৮০০ শতাব্দী, খরমপুর), উলচাপাড়া জামে মসজিদ (১৬০০ শতাব্দী), ভাদুঘর শাহী জামে মসজিদ (১৬৬৩ খ্রীষ্টাব্দ), সৈয়দ কাজী মাহমুদ শাহ মাজার (১৬০০ শতাব্দী

কাজীপাড়া), গঙ্গাসাগর দিঘী - আখাউড়া, আখাউড়া স্থলবন্দর, তিতাস গ্যাসক্ষেত্র, আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হাতিরপুল ও ওয়াপদা রেস্ট হাউস (শাহবাজপুর, সরাইল), অদ্বৈত মল্লবর্মনের বাড়ি (গোকর্ণ ঘাট), জিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (আশুগঞ্জ), আর্কাইভ জাদুঘর (কসবা), অবকাশ (সদর), বাসুদেব মূর্তি (সরাইল)

হরিপুরের জমিদার বাড়ি, কৈলাঘর দূর্গ (কসবা), কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ (কসবা), বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের কবর (আখাউড়া, দরুইন), সৌধ হিরন্ময়, শহীদ মিনার, তোফায়েল আজম মনুমেন্ট, মঈনপুর মসজিদ (কসবা), বাঁশী হাতে শিবমূর্তি (নবীনগর), আনন্দময়ী কালীমূর্তি (সরাইল), লোকনাথ দীঘি ইত্যাদি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবাসিক হোটেল গুলো হল হোটেল চন্দ্রীমা (আবাসিক), হোটেল ইউনুছিয়া (আবাসিক), হোটেল নিরাপদ (আবাসিক), হোটেল মুক্তা (আবাসিক), হোটেল নাজ (আবাসিক), হোটেল রহমান (আবাসিক) ইত্যাদি।

চাঁদপুর জেলা

চাঁদপুর জেলাকে ইলিশ মাছের দেশ বলা হয়। চাঁদপুরের দর্শনীয় স্থান গুলো হল- বড়স্টেশন মোলহেড নদীর মোহনা, চাঁদপুর জেলার ঐতিহ্যের প্রতীক ইলিশ চত্বর, প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ এলাকা, চাঁদপুর চিড়িয়াখানা- সাচার, মত্‍স্য জাদুঘর, সরকারী বোটানিকাল গার্ডেন, সরকারী শিশু পার্ক, হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ(৬ষ্ঠ বৃহত্তম) ইত্যাদি।

চাঁদপুর জেলার পর্যটন হোটেল সমূহ হল- রদিশ আবাসিক বোডিং, তাজমহল আবাসিক বোডিং- স্ট্যান্ডরোড, গাজী আবাসিক, ভাই ভাই আবাসিক হোটেল, হোটেল সকিনা- নতুনবাজার- চাঁদপুর, হোটেল অতিথি, হোটেল রজনীগন্ধা ইত্যাদি।

কুমিল্লা জেলা

কুমিল্লা জেলায় অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা ভ্রমণকারীদের কুমিল্লার দিকে আকর্ষণ করে। বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানসমূহ হল- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও যাদুঘর, ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি, বোটানিক্যাল গার্ডেন, শাহ সুজা মসজিদ, ধর্মসাগর দীঘি, রূপসাগর দীঘি, লালমাই পাহাড়, বিরাহিমপুর শাল বন, আনন্দ বাজার প্রাসাদ ইত্যাদি।

কুমিল্লায় রাত্রিযাপন করার স্থান সমূহ হল- হোটেল রেড রুফ ইন (বেসরকারি) এবং জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, বুড়িচং, কুমিল্লা।

ফেনী জেলা

ফেনী বাংলাদেশের অন্যতম জেলা। এই জেলাটি চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক জেলা। ফেনী নদীর নামানুসারে এই জেলার নামকরণ করা হয়। ফেনী জেলায় অসংখ্য বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল- চৌধুরী বাড়ি মসজিদ, শমসের গাজী দিঘী, জংলী শাহ মাজার, আবদুল্লাহ শাহ মাজার, বিলোনিয়া স্থল বন্দর, সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প, পাগলা মিঞাঁর মাজার, শিলুয়ার শীল পাথর এবং বিজয় সিংহ দীঘি।

ফেনী জেলার সুপরিচিত কিছু হোটেল হল- পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি রেস্ট হাউজ, ফেনী (বেসরকারী), কোয়ালিটি জুট মিলস রেস্ট হাউজ (বেসরকারী), ইদ্রিছিয়া হোটেল (আবাসিক) (বেসরকারী), মাস্টার হোটেল, অতিথি হোটেল ইত্যাদি।

লক্ষ্মীপুর জেলা

লক্ষ্মীপুর জেলা নোয়াখালীর পার্শ্ববর্তী একটি জেলা। লক্ষ্মীপুরে অনেক দর্শনীয় স্থানের মধ্যে অন্যতম হল- রামপুর ছোট হুজুরের বাড়ী, লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীর হাট , মরহুম মাইজ্জা হুজুরের বাড়ী , দালাল বাজার জমিদার বাড়ী, মতিরহাট মাছঘাট, ভাষা সৈনিক কমরেড মোহাম্মদ তোয়াহার স্মৃতিসৌধ, তেলিয়ার চর ও চর গজারিয়া ইত্যাদি।

লক্ষ্মীপুর জেলার হোটেল সমূহের মধ্যে অন্যতম হল- ইউনিক হোটেল, হোটেল ফিরোজ, হোটেল আবেহায়াত, ইষ্টি কুটুম, মোহাম্মদিয়া হোটেল, ভান্ডারী হোটেল , আল রাজ্জাক হোটেল ইত্যাদি।

নোয়াখালী জেলা

ঐতিহ্যবাহী নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশের মানুষের কাছে সুপরিচিত। নোয়াখালীর ভাষা সম্পর্কে সবারই কম বেশি ধারণা আছে। নোয়াখালী জেলার অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম- নিঝুম দ্বীপ, শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম, বজরা শাহী মসজিদ, গান্ধি আশ্রম, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল- চর জব্বর, নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ- মাইজদী, নোয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার- মাইজদী, মাইজদী কোর্ট বিল্ডিং দীঘি- মাইজদী, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর- সোনাইমুড়ী, মহাত্মা গান্ধী জাদুঘর, মুছাপুর ক্লোজার- কোম্পানিগঞ্জ ইত্যাদি।

নোয়াখালীর প্রধান হোটেলগুলোর মধ্যে আছে- বিআরডিবি রেস্ট হাউস, আল-আমিন গেস্ট হাউস, পূবালী হোটেল, হোটেল আল-মোর্শেদ, হোটেল মৌচাক, হোটেল লিটন, হোটেল নিজাম, হোটেল রাফসান, হোটেল আর-ফারহান,
হোটেল রয়েল, গুড হিল কমপ্লেক্স, থ্রী স্টার আবাসিক হোটেল ইত্যাদি।

চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান

ছবি রিমি আক্তার

রিমি আক্তার-এর আরও প্রবন্ধ পড়ুন

* ক্ষণস্থায়ী জীবনের শেষ কোথায় ? মানব জীবন

* প্রাকৃতিক দুর্যোগ কাকে বলে ? বহুল প্রচলিত দুর্যোগ সমূহ

* রংপুর বিভাগের সকল জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান সমূহ

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আরও প্রবন্ধ পড়ুন



বিজ্ঞাপন



© ২০১৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত LearnArticle.com